কেন ভাই-বোন বঞ্চিত হন
ফারায়েজে আসাবাদের চারটি শ্রেণী আছে এবং কঠোর ক্রম মানা হয়। পিতা শ্রেণী ২-তে, আর ভাই-বোন শ্রেণী ৩-তে। উপরের শ্রেণীর একজন থাকলে নিচের শ্রেণীর কেউ কিছুই পান না।
শুধু পিতা নয় — মৃত ব্যক্তির ছেলে বা পৌত্র থাকলেও ভাই-বোন বঞ্চিত। হানাফি মতে দাদা বেঁচে থাকলেও ভাই-বোন বঞ্চিত হন, কারণ দাদা পিতার স্থলাভিষিক্ত।
কিন্তু তাঁরা মায়ের অংশ কমিয়ে দেন
এটিই ফারায়েজের সবচেয়ে কম জানা অথচ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিয়মগুলোর একটি। সাধারণত সন্তান না থাকলে মা পুরো সম্পত্তির ১/৩ পান। কিন্তু মৃত ব্যক্তির দুই বা তার বেশি ভাই-বোন থাকলে মায়ের অংশ কমে ১/৬ হয়ে যায়।
মজার ব্যাপার হলো, ওই ভাই-বোনেরা নিজেরা এক পয়সাও পান না — কিন্তু তাঁদের উপস্থিতিই মায়ের অংশ অর্ধেক করে দেয়। আর কমে যাওয়া অংশটুকু পুরোটাই পিতার ভাগে যোগ হয়।
ভাইয়েরা ০% পাচ্ছেন, অথচ তাঁদের কারণেই মা ১/৩-এর বদলে ১/৬ পাচ্ছেন এবং পিতা ৮৩.৩৩% পাচ্ছেন। ভাই দুজন না থাকলে মা পেতেন ৩৩.৩৩% আর পিতা ৬৬.৬৭%।
এখানে ভাই মাত্র একজন — দুইয়ের কম। তাই মায়ের অংশ কমেনি, এবং এটি উমারিয়্যা মাসআলা হিসেবে হিসাব হয়েছে: স্ত্রী ১/৪ পাওয়ার পর অবশিষ্টের ১/৩ মা পেয়েছেন (২৫%), বাকিটা পিতা।
কখন ভাই-বোন পাবেন
- মৃত ব্যক্তির কোনো ছেলে বা পৌত্র নেই, এবং
- পিতা ও দাদা কেউ বেঁচে নেই — তখন ভাই-বোন সম্পত্তি পাবেন।
- শুধু মেয়ে থাকলে মেয়েদের অংশের পর অবশিষ্টটুকু ভাই-বোন পাবেন।
আপনার নিজের পরিবারের হিসাব করুন
ওয়ারিশদের নাম ও সম্পদের পরিমাণ দিন — মুহূর্তেই পাবেন বিস্তারিত বণ্টন তালিকা, হিসাবের ধাপ এবং প্রিন্টযোগ্য রিপোর্ট।
ফ্রি ক্যালকুলেটর খুলুন →